আপনার মাসিক উৎসে কর কর্তন ধাপে ধাপে স্বচ্ছভাবে হিসাব করুন।
আয়কর আইন ২০২৩ এবং অর্থ অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুযায়ী নির্মিত। ছয়টি করের স্তর, প্রত্যেক করদাতা শ্রেণী, বিনিয়োগ রেয়াত, ন্যূনতম কর ও সম্পদ সারচার্জসহ সম্পূর্ণ হিসাব।
আরও ৳ ১,৭২,৮০০ বিনিয়োগ করুন
৳ ২৫,৯২০ কর সাশ্রয় করতে
রেয়াত = যোগ্য বিনিয়োগের ১৫%, যা করযোগ্য আয়ের ৩% পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। করযোগ্য আয়ের ২০% বিনিয়োগ করলে সর্বোচ্চ রেয়াত পাওয়া যায়।
আয়ের সারসংক্ষেপ
চাকরিজনিত আয়ের ১/৩ (সর্বোচ্চ সীমা পৌঁছায়নি)
ধাপভিত্তিক কর গণনা
আইনগত ভিত্তি
আয়কর আইন ২০২৩ (অর্থ অধ্যাদেশ ২০২৫ দ্বারা সংশোধিত, ২২ জুন ২০২৫ তারিখে গেজেটভুক্ত)। এই স্ল্যাব কাঠামো ও রেয়াত বিধি করবর্ষ ২০২৬–২৭ ও ২০২৭–২৮ এর জন্য প্রযোজ্য।
স্ল্যাব ও হার, সহজে দৃশ্যমান।
অর্থ অধ্যাদেশ ২০২৫-এ করমুক্ত সীমা ২৫,০০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং সর্বনিম্ন ৫% স্ল্যাবটি ১০% ধাপের সাথে একীভূত হয়েছে। সাধারণ করদাতাদের জন্য করযোগ্য আয় প্রায় ৩৫.৭৫ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে সর্বোচ্চ প্রান্তিক হার ৩০% প্রযোজ্য।
দেখানো হচ্ছে: সাধারণ করদাতা (পুরুষ)
| সীমা (টাকা) | হার |
|---|---|
| ৳ ০ — ৳ ৩,৭৫,০০০ | শূন্য |
| ৳ ৩,৭৫,০০০ — ৳ ৬,৭৫,০০০ | ১০% |
| ৳ ৬,৭৫,০০০ — ৳ ১০,৭৫,০০০ | ১৫% |
| ৳ ১০,৭৫,০০০ — ৳ ১৫,৭৫,০০০ | ২০% |
| ৳ ১৫,৭৫,০০০ — ৳ ৩৫,৭৫,০০০ | ২৫% |
| ৳ ৩৫,৭৫,০০০ — এর ঊর্ধ্বে | ৩০% |