আয়কর
এনবিআর
মাসিক কর্তনযোগ্য উৎসে কর৳ ৪,৮৬৩
বাংলাদেশ — করবর্ষ ২০২৬ / ২০২৭

আপনার মাসিক উৎসে কর কর্তন ধাপে ধাপে স্বচ্ছভাবে হিসাব করুন।

আয়কর আইন ২০২৩ এবং অর্থ অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুযায়ী নির্মিত। ছয়টি করের স্তর, প্রত্যেক করদাতা শ্রেণী, বিনিয়োগ রেয়াত, ন্যূনতম কর ও সম্পদ সারচার্জসহ সম্পূর্ণ হিসাব।

শ্রেণী
/মাস
/মাস
/মাস
/মাস
/মাস
/বছর
/বছর
/বছর
/বছর
/বছর
/বছর
/বছর
/বছর
/বছর
টাকা
মাসিক কর্তনযোগ্য উৎসে কর
৳ ৪,৮৬৩
৳ ৫৮,৩৫০ বাৎসরিক · কার্যকর হার ৪.৫০%
কর সাশ্রয়ের সুযোগ

আরও ৳ ১,৭২,৮০০ বিনিয়োগ করুন

৳ ২৫,৯২০ কর সাশ্রয় করতে

বর্তমান রেয়াত
৳ ০
সর্বোচ্চ সম্ভাব্য রেয়াত
৳ ২৫,৯২০

রেয়াত = যোগ্য বিনিয়োগের ১৫%, যা করযোগ্য আয়ের ৩% পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। করযোগ্য আয়ের ২০% বিনিয়োগ করলে সর্বোচ্চ রেয়াত পাওয়া যায়।

আয়ের সারসংক্ষেপ

মোট চাকরিজনিত আয়৳ ১২,৯৬,০০০
বাৎসরিক মোট আয়৳ ১২,৯৬,০০০
বাদ: বেতন অব্যাহতি(৳ ৪,৩২,০০০)

চাকরিজনিত আয়ের ১/৩ (সর্বোচ্চ সীমা পৌঁছায়নি)

করযোগ্য আয়৳ ৮,৬৪,০০০

ধাপভিত্তিক কর গণনা

হারসীমা / এই ধাপে অঙ্ককর
০%৳ ০ – ৳ ৩,৭৫,০০০৳ ০১০%৳ ৩,৭৫,০০০ – ৳ ৬,৭৫,০০০৳ ৩০,০০০১৫%৳ ৬,৭৫,০০০ – ৳ ১০,৭৫,০০০৳ ২৮,৩৫০
মোট কর৳ ৫৮,৩৫০
বাৎসরিক প্রদেয় কর৳ ৫৮,৩৫০

আইনগত ভিত্তি

আয়কর আইন ২০২৩ (অর্থ অধ্যাদেশ ২০২৫ দ্বারা সংশোধিত, ২২ জুন ২০২৫ তারিখে গেজেটভুক্ত)। এই স্ল্যাব কাঠামো ও রেয়াত বিধি করবর্ষ ২০২৬–২৭ ও ২০২৭–২৮ এর জন্য প্রযোজ্য।

তথ্যসূত্র

স্ল্যাব ও হার, সহজে দৃশ্যমান

অর্থ অধ্যাদেশ ২০২৫-এ করমুক্ত সীমা ২৫,০০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং সর্বনিম্ন ৫% স্ল্যাবটি ১০% ধাপের সাথে একীভূত হয়েছে। সাধারণ করদাতাদের জন্য করযোগ্য আয় প্রায় ৩৫.৭৫ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে সর্বোচ্চ প্রান্তিক হার ৩০% প্রযোজ্য।

দেখানো হচ্ছে: সাধারণ করদাতা (পুরুষ)

সীমা (টাকা)হার
৳ ০ ৳ ৩,৭৫,০০০শূন্য
৳ ৩,৭৫,০০০ ৳ ৬,৭৫,০০০১০%
৳ ৬,৭৫,০০০ ৳ ১০,৭৫,০০০১৫%
৳ ১০,৭৫,০০০ ৳ ১৫,৭৫,০০০২০%
৳ ১৫,৭৫,০০০ ৳ ৩৫,৭৫,০০০২৫%
৳ ৩৫,৭৫,০০০ এর ঊর্ধ্বে৩০%